সাধারণ তথ্য

রুট পারমিটের জন্যযেখানে আবেদন করতে হবেঃ • আন্ত:জেলা রুটে চলাচলকারী এক এর অধিক বিভাগের আওতাধীন রুটে স্টেজ ক্যারেজ (বাস, মিনিবাস) ও কণ্ট্রাক্ট ক্যারেজ এর আবেদন বিআরটিএ সদর কার্যালয়, এঁলেনবাড়ি, তেজগাঁও, ঢাকা এ দাখিল করতে হবে। • আন্ত:জেলা রুটে চলাচলকারী একই বিভাগের আওতাধীন রুটে স্টেজ ক্যারেজ (বাস, মিনিবাস) ও কণ্ট্রাক্ট ক্যারেজ এর রুট পারমিট সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক ইস্যু/নবায়ন করা হয়। • অনধিক দুই জেলার মধ্যে চলাচলকারী স্টেজ ক্যারেজ, কণ্ট্রাক্ট ক্যারেজ এবং যে কোন রুটে চলাচলকারী সাধারণ পরিবহন/প্রাইভেট পরিবহণ(মালবাহী ট্রাক, ভ্যান, ট্যাংক লড়ী ইত্যাদি) মোটরযানের রুট পারমিটের আবেদন সংশ্লিষ্ট এলাকার আঞ্চলিক পরিবহণ কমিটি (আরটিসি) কর্তৃক নিস্পত্তি করা হয়।

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
মোঃ গিয়াস উদ্দিন সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) ০৭১-৬২৬৮৭০১৭১১৩৯৫৪৫৩ad_kushtia@brta.gov.bd
হুমায়ুন কবিরমটরযান পরিদর্শক০১৭১১৩৮৫২৬১ranverahmed@yahoo.com

কর্মচারীবৃন্দ

ছবিনামপদবি
মোঃ আব্দুস সোবহান গাজীউচ্চমান সহকারী
এনামুল হক ইমনমেকানিক্যাল এসিস্টেন্ট
মোছাঃ আসমা বেগমঅফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
আব্দুল আলিম মুন্সিএম এল এস এস

প্রকল্পসমূহ

বর্তমানে নেই

যোগাযোগ

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি

সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) এর কার্যালয়

বিআরটিএ, কুষ্টিয়া সার্কেল, কুষ্টিয়া

 

ফোনঃ ০৭১-৬২৬৮৭

ই-মেইলঃ ad_kushtia@brta.gov.bd

কী সেবা কীভাবে পাবেন

মোটরযান রেজিষ্ট্রেশন

(ক)       নতুন মোটরযান রেজিষ্ট্রেশন ক্ষেত্র

১।         (ক) আবেদনপত্র (এইচ-ফরম)মালিক ও আমদানীকারক/ডিলার কর্তৃক  যথাযথভাবে

পূরণ ও স্বাক্ষর।

(খ) যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের স্বাক্ষর এবং প্রতিষ্ঠান/ কোম্পানীর ক্ষেত্রে

স্বাক্ষর ও সীলমোহর।

(গ)যদি ব্যাংক অথবা অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানের সাথে গাড়ীর মালিকানায় আর্থিক সংশ্লিষ্টতা থাকে

তবে ব্যাংক বা অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠানের প্যাডে রেজিঃ অথরিটি বরাবরে আবেদন করতে হবে।

২।         ইনভয়েস (কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত) এর মুল কপি।

৩।         বিল অব লেডিং (সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সত্যায়িত)।

৪।         ইমপোর্ট পারমিট/এলসিএ (সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সত্যায়িত)।

৫।         সেলস সার্টিফিকেট/বিক্রয় প্রমান পত্র(আমদানীকারক/বিক্রেতা প্রদত্ত)।

৬।         সেল ইন্টিমেশন (রেজিষ্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ বরাবরে) আমদানীকারক/বিক্রেতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত।

৭।         গেইট পাশ (সি কে ডি রেজিষ্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)।

৮।         ডেলিভারী চালান।

৯।         প্যাকিং লিষ্ট।

১০।        বিদেশী নাগরিকের নামে রেজিষ্ট্রেশন/মালিকানা বদলী হলে বাংলাদেশের ওয়ার্ক পারমিট এবং ভিসার মেয়াদের কপি।

১১।        (ক) মুসক-১১, (খ) মসক-১১(ক)/ATV (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), (গ) ভ্যাট পরিশোধের চালান।

১২।        বডি ও আসন ব্যবস্থার স্পেসিফিকেশন প্রদর্শনকৃত ড্রয়িং (বাস, ট্রাক, হিউম্যান হলার, ডেলিভারী ভ্যান, অটোটেম্পু ইত্যাদি মোটরযানের ক্ষেত্রে)।

১৩।       সিকেডি (CKD)মোটরযানের ক্ষেত্রে বিআরটিএ টাইপ অনুমোদন ও অনুমোদিত সংযোজনী তালিকা।

১৪।        TIN সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

১৫।       বডি ভ্যাট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) চালান ও পরিশোধের রশিদ।

১৬।       সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য মোটরযানটি সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে উপস্হিত করা।

১৭।        প্রয়োজনীয় ফি জমা প্রদানের রশিদ।

১৮।       ব্যক্তি মালিকানাধীন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে পাসপোর্ট/টেলিফোন বিল/বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদির যে কোনটির সত্যায়িত ফটোকপি এবং মালিক প্রতিষ্ঠান হলে, প্রতিষ্ঠানের প্যাডে চিঠি।

 

ট্যাক্স টোকেন

১।       রেজিষ্ট্রেশনের সময় ১ম ট্যাক্স টোকেন বিআরটিএ কর্তৃক ইস্যু করা হয়।

২।         পরবর্তিতে পোষ্ট অফিস কর্তৃক নবায়ন করা হয়।

 

(খ) রি-কন্ডিশন্ড মোটরযান রেজিষ্ট্রেশনের ক্ষেত্রে:

১।         আবেদনপত্র (‘এইচ’ ফরম) যথাযথভাবে মালিক কর্তৃক পূরণ ও মালিকের স্বাক্ষর।

২।         ফরম ‘টিও’ (ক্রেতা কর্তৃক স্বাক্ষরিত), ‘টিটিও’ ও বিক্রি রসিদ (আমদানীকারকের স্বাক্ষরসহ)।

৩।         (ক) ডি-রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেটের মূল কপি (ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস ও রুট পারমিটসহ (প্রযোয্য ক্ষেত্রে)।

(খ)ডি-রেজিষ্ট্রেশনের ইংরেজী অনুবাদের সত্যায়িত কপি (সার্টিফিকেটে অব ক্যানসিলেশন এর সত্যায়িত কপি)।

৪।         ইনভয়েস (কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত)।

৫।         বিল অব লেডিং (সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সত্যায়িত)।

৬।         ইমপোর্ট পারমিট /এলসি এ (সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সত্যায়িত)।

৭।         ডেলিভারী চালান।

৮।         একই ইনভয়েসে একাধিক মোটরযান আমদানীর ক্ষেত্রে সত্যায়িত প্যাকিং লিস্ট ও এ্যাসেসমেন্ট নোটিশের মূল কপি প্রদর্শন।

৯।         বিদেশী নাগরিকের নামে রেজিষ্ট্রেশন/মালিকানা বদলী হলে বাংলাদেশের ওয়ার্ক পারমিট এবং ভিসার মেয়াদের কপি।

১০।        (ক) মুসুক-১১, (খ) মুসুক-১১(ক)/ATV (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), (গ) ভ্যাট চালান, (ঘ) ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন সনদ।

১১।        TIN সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

১২।        বডি ভ্যাট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

১৩।       সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে মোটরযানটি হাজির করা।

১৪।        প্রয়োজনীয় ফি জমা রশিদ।

১৫।       ব্যক্তি মালিকানাধীন মালিকের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট/টেলিফোন বিল/বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদির যে কোনটির

সত্যায়িত ফটোকপি এবং মালিক প্রতিষ্ঠান হলে, প্রতিষ্ঠানের প্যাডে চিঠি।

 

(গ) মোটরযানের মালিকানা বদলী:

ক্রেতার করনীয়:

(ক) নির্ধারিত ফরম ‘টি ও’ তে ক্রেতার স্বাক্ষর ও ‘টি টি ও’ তে নমুনা স্বাক্ষর।

(খ) ক্রেতার TIN (ভাড়ায় চালিত নহে এমন কার, জিপ, মাইক্রোবাস এর ক্ষেত্রে) সার্টিফিকেট।

(গ)মূল রেজি: সনদ/ব্লু বুক (উভয় কপি)।

(ঘ) ছবিসহ ক্রয় সংক্রান্ত হলফনামা।

(ঙ) গাড়ির হিসাব নম্বরসহ জমা বই প্রদর্শন এবং ট্যাক্স ও ফিটনেসের হালনাগাদ ফটোকপি।

(চ) সংশ্লিষ্ট নমুনা স্বাক্ষর ফর্মে ক্রেতার নমুনা স্বাক্ষর এবং ইংরেজীতে নাম, পিতার/স্বামীর নাম,

পূর্ণ ঠিকানা ও ৩ কপি, স্ট্যাম্প আকারের রঙ্গীন ফটোসহ ফরমের অন্যান্য সকল তথ্যাদি প্রদান (কম্পিউটার রেজি: এর ক্ষেত্রে)। তবে, ক্রেতা কোন প্রতিষ্ঠান হলে, উপরে বর্ণিত কাগজপত্রসহ (হলফনামা ব্যতিত) অফিসিয়াল প্যাডে চিঠি।

(ছ)মোটরযানটি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য অফিসে হাজির করা।

(জ) মালিকানা বদলীর ফিস জমা, বিক্রেতার স্বাক্ষরে গরমিল হলে বিক্রেতার উপস্হিতি, ইত্যাদি।

 

বিক্রেতার করণীয়:

(ক) ফরম টি টি ও এবং বিক্রয় রশিদে বিক্রেতার স্বাক্ষর(স্বাক্ষীর স্বাক্ষর ও রেভিনিউ স্ট্যাম্পসহ)

(খ) বিক্রেতার ছবিসহ বিক্রয় সংক্রান্ত হলফনামা।

(গ) বিক্রেতা কোম্পানী হলে কোম্পানীর লেটার হেড প্যাডে ইন্টিমেশন, বোর্ড রেজুলেশন ও অথরাইজেশন পত্র প্রদান (ঘ) মোটরযানটি ব্যাংক অথবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট দায়বদ্ধ থাকলে দায়বদ্ধকারী প্রতিষ্ঠানের ঋন পরিশোধ সংক্রান্ত ছাড়পত্র ইত্যাদি।

 

(ঘ) প্রতিলিপি:

(ক) মূল মালিকের স্বাক্ষর সম্বলিত আবেদনপত্র।

(খ) প্রযোজ্য ফি এর জমা রশিদ।

(গ) সংশ্লিষ্ট নমুনা স্বাক্ষর ফর্মে ইংরেজীতে নাম, পিতা/স্বামীর নামসহ পূর্ণ ঠিকানা ও ৩ (তিন) কপিস্ট্যাম্প আকারের ছবিসহ ফরমের অন্যান্য সকল তথ্যাদি প্রদান (কম্টিউটার রেজিঃ এর ক্ষেত্রে)।গাড়িটি কোম্পানী, ব্যাংক বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের মালাকানাধীন হলে তাদের নিজস্ব লেটার হেড প্যাডে চিঠি, সংশ্লিষ্ট ফর্রে নমুনা স্বাক্ষর এবং ইংরেজীতে প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানাসহ অন্যান্য তথ্যাদি।

(ঘ)গাড়ির হিসাব নম্বনসহ জমা বই প্রদর্শন এবং ট্যাক্স, ফিটনেস ও রুট পারমিটের (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) হালানাগাদ ফটোকপি, এগুলো হালনাগাদ না তাকলে গাড়ি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য অফিসে হাজির করা। যদি রেজিষ্ট্রেশন সনদ হারানো যায়,তবে উপরোক্ত তথ্যসহ নিম্নের তথ্যাদি প্রদান।

(১)        থানার জিডি।

(২)        নন এফ আইমার মামলা সংক্রান্ত পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের ছাড়পত্র।

(৩)        আবেদনকারীর স্বাক্ষেরর গরমিল পরিলক্ষিত হলে আবেদনকারীর সংশ্লিষ্ট অফিসে উপস্থিতিতে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর প্রদান ইত্যাদি।

 

ড্রাইভিং লাইসেন্স

শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স:

১।         নির্ধারিত আবেদন ফরমে আবেদন।

২।         প্রযোজ্য ফি জমা রশিদ।

৩।         আবেদনবারীর ১ (এক) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ মেডিক্যাল ফরমে রেজিষ্টার্ড ডাক্তার প্রদত্ত মেডিকেল সার্টিফিকেট।

৪।         প্রার্থীর জন্ম নিবন্ধন/এস এস সি/স্কুল সার্টিফিকেট এর সত্যায়িত অনুলিপি। আবেদনের তারিখে প্রার্থীর বয়স পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ এবং অপেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।

৫।         প্রার্থীর সদ্য তোলা ৩ (তিন) কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবি।

৬।         আবেদনপত্র জমা ও ফি জমা রশিদের গ্রাহক কপি প্রদর্শন করে প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ গ্রহন ও নির্ধারিত তারিখে প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ প্রদর্শন করে শিক্ষানবীশ লাইসেন্স গ্রহণ।

 

হাই সিকিউরিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সঃ

১।         শিক্ষানবীশ লাইসেন্সে উল্লিখিত তারিখ ও সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্হিতি রেকর্ডভূক্তকরণ।

২।         লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহেনর পর কৃতকার্য হলে মৌখিক পরীক্ষা এবং মৌখিক

পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ।

৩।         কৃতকার্য পরীক্ষার্থীকে ড্রাইভিং লাইসেন্সের (হাই সিকিউরিটি ড্রাইভিং লাইসেন্স)

জন্য নির্ধারিত ফরমে (দুই কপি দাখিল করতে হবে)আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে দুই কপি স্ট্যাম্প আকারের রঙিন ছবি, শিক্ষানবীশ লাইসেন্স, পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদ/নাগরিকত্ব সনদপত্র, প্রযোজ্য ফি জমা রশিদ ইত্যাদি দাখিল করতে হবে।

৪।         পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন।

৫।         বিআরটিএ’র সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ গ্রহণ।

৬।         প্রাপ্তিস্বীকার রশিদে উল্লিখিত তারিখে বিআরটিএ অফিস থেকে হাই সিকিউরিটি ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ।

ফিটনেস নবায়ন

১।         আবেদনকারী কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন।

২।         ফিটনেস সার্টিফিকেট এর মূল কপি (হারিয়ে গেলে জিডি এর কপি)।

৩।         প্রয়োজনীয় ফি জমা রশিদ।

৪।         হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেন এর ফটোকপি।

৫।         টি আইএন সংক্রান্ত কাগজপত্র এর সত্যায়িত ফটোকপি।(ভাড়ায় চালিত নহে এমন কার, জীপ ও মাইক্রোবাস)।

৬।         ভাড়ায় চালিত মোটর যানের ক্ষেত্রে অনুমিত আয়কর প্রদানের প্রমানপত্র।

৭।         পরিদর্শনের জন্য মোটরযান হাজির করা।

প্রদেয় সেবাসমূহের তালিকা

সিটিজেন চার্টার

·         মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রাপ্যতা ও নবায়ন।

·         পরিবহণযানের কণ্ডাক্টর লাইসেন্সের প্রাপ্যতা ও নবায়ন।

·         ইন্সট্রাক্টর লাইসেন্স এর প্রাপ্যতা ও নবায়ন।

·         মোটরযান রেজিষ্ট্রেশন, ফিটনেস ও রুট পারমিট এবং এতদসংক্রান্ত সার্টিফিকেটের প্রাপ্যতা।

·         মোটরযান ট্যাক্স টোকেন এর প্রাপ্যতা।

·         মোটরযান হাই সিকিউরিটি উইন্ডশিল্ড স্টিকার (ডিকল) এর প্রাপ্যতা।

·         মোটরযান সংক্রান্ত পরিসংখ্যান এর প্রাপ্যতা।

·         সড়ক দুর্ঘটনা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান এর প্রাপ্যতা।

·         বিনামূল্যে মোটরযান ও ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত যে কোন ধরনের আবেদনপত্রের প্রাপ্যতা।

·         পরিবহণযানের সরকার নির্ধারিত ভাড়ার হারে যাত্রী পরিবহণ নিশ্চিতকরণ।

তথ্য অধিকার

বিজ্ঞপ্তি

ডাউনলোড

আইন ও সার্কুলার